বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৪৫ কোটি ২০ লাখ ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ায় দেশের ব্যাংকিং খাতে ডলারের উদ্বৃত্ত সৃষ্টি হয়েছে। এতে বাজারে ডলারের দাম কমে যাওয়ার ঝুঁকি দেখা দেওয়ায় ডলার বাজার স্থিতিশীল রাখতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে ১৯৬ মিলিয়ন বা প্রায় ২০
কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ ক্রয়ে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট ও কাট-অফ রেট উভয়ই ছিল প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।
সব মিলিয়ে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ৪ দশমিক ৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান ডলার ক্রয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
খাত সংশ্লিষ্টদের বরাতে জানা গেছে, ২০২২ সালে দেশের ডলার বাজার মারাত্মক অস্থির হয়ে পড়ে। সে সময় প্রতি ডলারের দাম ৮৫ টাকা থেকে বেড়ে এক পর্যায়ে ১২২ টাকায় পৌঁছে যায়। তৎকালীন সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও বাজার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তখন রিজার্ভ থেকে ব্যাপকভাবে ডলার বিক্রি করতে হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, গত তিন অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে। এর মধ্যে ২০২১–২২ অর্থবছরে ৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার, ২০২২–২৩ অর্থবছরে ১৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৩–২৪ অর্থবছরে ১২ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করা হয়। বিপরীতে, ওই সময়ে ব্যাংকগুলো থেকে কেনা হয়েছে মাত্র প্রায় এক বিলিয়ন ডলার।
তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অর্থপাচার রোধে বর্তমান সরকারের কঠোর পদক্ষেপের ফলে রপ্তানি আয় ও প্রবাসী আয় উভয়ই বেড়েছে। এতে ডলারের সরবরাহ বাড়লেও চাহিদা তুলনামূলক কম থাকায় দাম কমার সম্ভাবনা দেখা দেয়। এ অবস্থায় ডলার বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজ উদ্যোগে ডলার কিনছে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রবাসীরা দেশে ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৫ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি।
রেমিট্যান্স বৃদ্ধি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার ক্রয়ের ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২ ফেব্রুয়ারি দিন শেষে দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম–৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ২৮ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।
ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, অর্থপাচার কমে যাওয়ায় অবৈধ হুন্ডি কার্যক্রমও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। পাশাপাশি ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকায় প্রবাসীরা বৈধ পথে দেশে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন।
এদিকে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত প্রবাসীরা মোট ১ হাজার ৯৪৪ কোটি মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্সে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে দেশে এসেছে ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ৩৮ হাজার ৬৭৪ কোটি
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স থেকে ১৬টি কোম্পানিকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে ৯টি শেয়ার। আগামী ১৮ জানুয়ারি (রোববার) থেকে এই পরিবর্তন কার্যকর হবে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) ডিএসই তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এ
বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা বিভাগে পরিচালক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন একই বিভাগে কর্মরত অতিরিক্ত পরিচালক মো. ওয়াহেদুজ্জামান সরদার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিউম্যান রিসোর্সেস ডিপার্টমেন্ট–১ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, দীর্ঘদিনের পেশাগত দক্ষতা, গবেষণা অভিজ্ঞতা ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে