‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ চলছে: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে এনসিপির অভিযোগ
৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক
নির্বাচন কমিশন তার নিরপেক্ষতা হারিয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহার করে নির্বাচন প্রভাবিত করার অপতৎপরতা চলছে—এমন অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির দাবি, দেশে পরিকল্পিতভাবে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা
শারমিন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “৫ আগস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে নির্বাচন প্রভাবিত করার স্পষ্ট চিত্র আমরা দেখছি। স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশনের যে ভূমিকা থাকার কথা, তারা তা পালন করছে না। বরং একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ করছে। পুলিশ প্রশাসনও একইভাবে দলীয় ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে।”
সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ তুলে মনিরা শারমিন বলেন, “মিডিয়াও এর বাইরে নয়। সংবাদমাধ্যমগুলো নগ্নভাবে একটি দলকে সমর্থন দিচ্ছে। গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ও উচ্চপদস্থ জায়গাগুলো একটি দলের দখলে চলে গেছে।”
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে এনসিপির এই নেত্রী বলেন, “তারেক রহমান এক জনসভায় বলেছেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হবে। এর পরপরই আমরা গণমাধ্যমে দেখি, বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন পরিচালক ব্যাংকগুলোর কাছে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের তথ্য চেয়েছেন। এই তথ্য চাওয়ার পেছনে ব্যক্তিগত চাহিদাপত্রের বিষয়টি আমাদের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনের সময় এভাবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে একটি বিশেষ দলকে সহযোগিতা করা নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী। এটি কোনোভাবেই একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের বার্তা দেয় না।”
এনসিপির পক্ষ থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে মনিরা শারমিন বলেন, “ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে কেউ পার পাবে না। এনসিপি এবং ১১ দলীয় জোট পুরো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। প্রয়োজনে আমরা রাজপথে আন্দোলনে নামব। আপাতত নির্বাচন পর্যন্ত আমরা অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।”
সমালোচনা করার অধিকার সবার থাকলেও কোনো অবস্থাতেই তা শালীনতার সীমা অতিক্রম করা উচিত নয়—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা বলেন।
স্ট্যাটাসে সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে নির্বাচন পরিচালনার প্রক্রিয়া ও ভোটার তালিকা নিয়ে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। বিশেষ করে ভোটার মাইগ্রেশন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে অপ্রাসঙ্গিক সংস্থার অন্তর্ভুক্তি এবং তথাকথিত ‘শান্তি কমিটি’ গঠন নিয়ে তিনি
নির্বাচনী মাঠে নতুনদের স্বাগত জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে দলটির প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি ভালো থাকলেও সামনে কী ঘটবে তা বলা যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, কিছু প্রার্থীর কার্যকলাপ ও চালচলন দেখে মনে হচ্ছে তারা ইলেকশন