সমালোচনা করার অধিকার সবার থাকলেও কোনো অবস্থাতেই তা শালীনতার সীমা অতিক্রম করা উচিত নয়—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা বলেন।
স্ট্যাটাসে সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ভোটের মাঠে কাজ
করতে গিয়ে অনেক সময় একে অপরের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ হতে পারে। তবে সমালোচনার অধিকার থাকলেও তা যেন কখনো শালীনতার সীমা অতিক্রম না করে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সমালোচনা অবশ্যই যুক্তি ও ভদ্রতার সঙ্গে করা উচিত। এমন কোনো ভাষা ব্যবহার করা কাম্য নয়, যা নিজের বা অন্যের ক্ষেত্রে প্রয়োগ হলে কষ্টদায়ক হয়। এমনকি প্রিয় কোনো মানুষকে উদ্দেশ্য করে রুচিবহির্ভূত সমালোচনা করা হলেও তার জবাব হওয়া উচিত শালীন ও যুক্তিপূর্ণ ভাষায়। এটিই আমাদের শিক্ষা বলে উল্লেখ করেন তিনি।
স্ট্যাটাসের শেষাংশে জামায়াত আমির আশা প্রকাশ করে বলেন, তার এই সামান্য পরামর্শ সবাই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন। পাশাপাশি তিনি আল্লাহর সাহায্য কামনা করেন।
নির্বাচন কমিশন তার নিরপেক্ষতা হারিয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহার করে নির্বাচন প্রভাবিত করার অপতৎপরতা চলছে—এমন অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির দাবি, দেশে পরিকল্পিতভাবে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে নির্বাচন পরিচালনার প্রক্রিয়া ও ভোটার তালিকা নিয়ে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। বিশেষ করে ভোটার মাইগ্রেশন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে অপ্রাসঙ্গিক সংস্থার অন্তর্ভুক্তি এবং তথাকথিত ‘শান্তি কমিটি’ গঠন নিয়ে তিনি
নির্বাচনী মাঠে নতুনদের স্বাগত জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে দলটির প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি ভালো থাকলেও সামনে কী ঘটবে তা বলা যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, কিছু প্রার্থীর কার্যকলাপ ও চালচলন দেখে মনে হচ্ছে তারা ইলেকশন