গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, জলকামান ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপের ঘটনাকে ন্যক্কারজনক বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশের হামলায় আহত ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ অন্যান্যদের
দেখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ড. মোশাররফ হোসেন মাসুদ এবং পল্টন থানা জামায়াতের আমির শাহিন আহমেদ খান।
আহতদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে অ্যাডভোকেট জুবায়ের তাদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, জলকামান ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ অত্যন্ত দুঃখজনক। বিশেষ করে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের এবং রাকসুর সাবেক জিএস আম্মারের আহত হওয়ার ঘটনা গভীর উদ্বেগের।
তিনি আরও বলেন, এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ী পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতা–কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ৯৬ জন আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতদের মধ্যে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের রয়েছেন। এদের মধ্যে একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি)
সমালোচনা করার অধিকার সবার থাকলেও কোনো অবস্থাতেই তা শালীনতার সীমা অতিক্রম করা উচিত নয়—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা বলেন।
স্ট্যাটাসে সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের
নির্বাচন কমিশন তার নিরপেক্ষতা হারিয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহার করে নির্বাচন প্রভাবিত করার অপতৎপরতা চলছে—এমন অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির দাবি, দেশে পরিকল্পিতভাবে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে