১৯৮১ সালের একটি অন্ধকার রাত। প্যারিসের শান্ত একটি কলেজ শহর হঠাৎ কেঁপে ওঠে এক অতিমাত্রায় জঘন্য হত্যাকাণ্ডের খবর শুনে। একজন জাপানি ছাত্র, ইসেই সাগাওয়া, তার সহপাঠী রেনি হার্টেভেল্টকে নির্মমভাবে হত্যা করে এবং পরবর্তীতে তার দেহের horrifying অংশ খেতে শুরু করে। এই ভয়ানক ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্বজুড়ে আতঙ্কের স্রোত বইতে
শুরু করে।
সাগাওয়ার শৈশব থেকেই অদ্ভুত ও অমানবিক প্রবৃত্তিতে ভরা ছিল। মানুষ, বিশেষ করে মানুষের দেহ নিয়ে তার অদ্ভুত আকর্ষণ তাকে ক্রমশ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়। সে তার হত্যা পরিকল্পনা নিখুঁতভাবে সাজায়, যাতে কেউ সন্দেহ করতে না পারে। কিন্তু হত্যা সংঘটিত হওয়ার পর প্যারিসের পুলিশ ও আদালত তাকে ধরতে সক্ষম হয়।
ফরাসি আদালত তাকে মানসিকভাবে অসুস্থ হিসেবে ঘোষণা করে এবং একটি মানসিক হাসপাতালে পাঠায়। তবে, কয়েক বছরের মধ্যেই তিনি জাপানে ফিরে আসে এবং যেন সব কিছু ভুলে যাওয়া যায়, একটি স্বাভাবিক জীবন শুরু করে। এর পরও তার অমানবিক প্রবৃত্তি থেমে থাকে না। পরবর্তীতে, তিনি নিজের লেখা বইতে এই হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত স্বীকারোক্তি প্রকাশ করেন, যা পাঠক ও মনস্তাত্ত্বিকদের রীতিমতো শিউরে উঠায়।
মনস্তাত্ত্বিকরা বলেন, সাগাওয়ার এই অমানবিক আচরণ ছিল তার জন্মগত প্রবৃত্তি এবং সামাজিক বাঁধন তাকে কখনোই থামাতে পারেনি। তার হাতে রেনির মৃত্যু শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, এটি মানবতার প্রতি এক চরম কটূরতার চিহ্ন হিসেবে ইতিহাসে রয়ে গেছে।
আজও সেই রাত এবং তার হিংসাত্মক কাজের কথা মনে করলেই মানুষের রোমাঞ্চিত হয়। ইসেই সাগাওয়ারের এই কাণ্ড শুধুই ফ্রান্স নয়, পুরো বিশ্বে নৈতিকতার প্রশ্ন তোলে এবং মানুষকে মানবিকতা, ন্যায় এবং ভয়াবহতার মধ্যে চরম দ্বন্দ্বে ফেলে দেয়।
সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান
ইসলামি ঐতিহ্যে বণী-ইসরাইল বা “ইস্রায়েলের সন্তানসম্ভব জাতি” বলতে বুঝায় নবী ইয়াকুব (আঃ)-এর সন্তান ও তার বংশধরদের একটি জাতি, যারা আল্লাহর আদেশ ও নম্রতার ধর্ম পালন করতেন। “ইস্রায়েল” শব্দটি ইয়াকুব (আঃ)-এর আরেক নাম এবং “বণী-ইসরাইল” শব্দটি ইয়াকুব (আঃ)-র বংশধরদের প্রতিনিধিতার জন্য
মিসরের ইতিহাসে এক অভাবনীয় ঘটনাই ঘটেছিল যখন কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে নবী ইউসুফ (আ.) দেশটির অর্থ ও খাদ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত হন। ফেরাউনের স্বপ্নের ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি শুধু নিজের প্রজ্ঞা নয়, প্রমাণ করেছিলেন আল্লাহপ্রদত্ত এক অলৌকিক জ্ঞান ও দূরদর্শিতা।
বর্ণনা অনুযায়ী,
সিজার লোমব্রোসো (1835-1909) উনিশ শতকের একজন ইতালিয়ান চিকিৎসক, নৃবিজ্ঞানী এবং অপরাধবিজ্ঞানী ছিলেন। আধুনিক অপরাধবিদ্যার পিতা হিসেবে তাকে অভিহিত করা হয়। লোমব্রোসো মূলত “জন্মগত অপরাধী” তত্ত্বের মাধ্যমে খ্যাতি লাভ করেন। তার মতে, কিছু মানুষ জন্মগতভাবেই অপরাধ প্রবণ হয়ে জন্মায়। তিনি ধারণা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষভাগে এসে চরম হতাশায় পড়া জাপান সামরিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ এক কৌশল অবলম্বন করে—আত্মঘাতী হামলা। প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধে একের পর এক পরাজয়ের মুখে জাপানি সামরিক নেতৃত্ব এমন পরিকল্পনা নেয় যেখানে যোদ্ধাদের জন্য জীবিত ফিরে আসার কোনো সুযোগ