বিশেষ
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আত্মঘাতী যুদ্ধ পরিকল্পনা
.jpg-2025-08-22T10-02-51.825Z.jpg&w=3840&q=100)
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষভাগে এসে চরম হতাশায় পড়া জাপান সামরিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ এক কৌশল অবলম্বন করে—আত্মঘাতী হামলা। প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধে একের পর এক পরাজয়ের মুখে জাপানি সামরিক নেতৃত্ব এমন পরিকল্পনা নেয় যেখানে যোদ্ধাদের জন্য জীবিত ফিরে আসার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। সবচেয়ে কুখ্যাত হয়ে ওঠে ‘কামিকাজে’ ইউনিট। বিস্ফোরকভর্তি বিমান নিয়ে
আত্মঘাতী পাইলটরা ইচ্ছাকৃতভাবে মিত্রবাহিনীর যুদ্ধজাহাজে আছড়ে পড়তেন। ১৯৪৪ সালের লেইতে উপসাগরের যুদ্ধে প্রথম চালু হওয়া এই কৌশল পুরো বিশ্বকে নাড়িয়ে দেয়। যদিও জাপানের বিমান ও নৌবাহিনী তখন ভীষণ দুর্বল হয়ে পড়েছিল, তবুও কামিকাজে হামলায় মার্কিন জাহাজগুলোতে ব্যাপক ক্ষতি হয় এবং হাজারো নাবিক নিহত হন। শুধু কামিকাজে নয়, জাপান সেনাবাহিনী তৈরি করেছিল ‘কাইতেন’ মানব টর্পেডো, আত্মঘাতী সাবমেরিন এবং এমনকি সাধারণ নাগরিকদেরও প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছিল—যাতে মিত্রবাহিনী যদি মূল ভূখণ্ডে আক্রমণ চালায়, তবে সবাই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আত্মঘাতী প্রতিরোধে অংশ নিতে পারে। গোপন নথিতে উল্লেখ ছিল, মিত্রশক্তির পরিকল্পিত আক্রমণ (অপারেশন ডাউনফল) বাস্তবায়িত হলে লাখো জাপানি নাগরিককে আত্মাহুতি দিতে বাধ্য করা হতো। যদিও জাপানের সামরিক নেতৃত্ব এসব আত্মঘাতী পরিকল্পনাকে ‘সম্মান’ ও ‘বুশিদো চেতনা’র অংশ হিসেবে প্রচার করেছিল, ইতিহাসবিদদের মতে এগুলো আসলে ছিল চরম হতাশা ও প্রচারণার ফসল। অবশেষে ১৯৪৫ সালের আগস্টে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলা এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের যুদ্ধে প্রবেশের পর জাপান আত্মসমর্পণ করে। ফলে দেশব্যাপী আত্মঘাতী প্রতিরক্ষার মহাপরিকল্পনা আর বাস্তবায়িত হয়নি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এই আত্মঘাতী কৌশলগুলো আজও ইতিহাসের ভয়াবহতম স্মৃতি হিসেবে রয়ে গেছে—যা একদিকে জাপানি নেতৃত্বের উন্মত্ততা, অন্যদিকে হাজারো তরুণ প্রাণের করুণ মৃত্যুর প্রতীক।

সরকারি সফরে কাতার গেলেন সেনাপ্রধান
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সরকারি সফরে কাতার গেছেন। শনিবার (৩ মে) সকালে তিনি কাতারে গেছেন বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান কাতারের সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং সামরিক বাহিনী সংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার লক্ষ্যেবিস্তারিত...
.jpg-2025-06-02T13-05-28.465Z.jpg&w=3840&q=100)
টোকিওর মেট্রো স্টেশনে ‘স্লিট মাউথ ওম্যান’
টোকিও, ২ জুন: টোকিও মেট্রোর কিছু স্টেশনে রাতে যাত্রী চলাচল কমে আসার পেছনে নতুন করে উঠে এসেছে একটি পুরোনো শহুরে কিংবদন্তির নাম—"কুচিসাকে ওন্না", বাংলায় পরিচিত ‘চেরা-মুখো নারী’ নামে। শহরের উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি স্টেশনে সম্প্রতি এক নারীকে মুখে মাস্ক পরে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতেবিস্তারিত...

সব রক্তের জন্য এক রক্ত! - জাপানে ‘ইউনিভার্সাল ব্লাড’ উদ্ভাবন
জাপানের বিজ্ঞানীরা এমন এক ধরনের কৃত্রিম রক্ত উদ্ভাবন করেছেন যা যেকোনো রক্তের গ্রুপের রোগীর দেহে নিরাপদে ব্যবহার করা যাবে। এই "ইউনিভার্সাল ব্লাড" উদ্ভাবনকে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন। নারা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়–এর অধ্যাপক হিরোমি সাকাই-এর নেতৃত্বে পরিচালিত গবেষণায় তৈরিবিস্তারিত...
.jpg-2025-08-05T14-11-17.437Z.jpg&w=3840&q=100)
স্কুল শেষ, থেমে গেল স্টেশন
জাপানের প্রত্যন্ত হোক্কাইডো অঞ্চলে অবস্থিত একটি ছোট রেলস্টেশন, ‘কিউ-শিরাতাকি স্টেশন’ (Kyu-Shirataki Station), কেবলমাত্র একজন স্কুলছাত্রীকে যাতায়াতের সুযোগ দিতে চালু রাখা হয়েছিল। ওই ছাত্রী গ্র্যাজুয়েশন করার পরই স্টেশনটি আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই ঘটনা ২০১৬ সালে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্মবিস্তারিত...