দেশে আবারও বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৬ টাকা, খোলা সয়াবিন তেলে ৩ টাকা এবং পাম অয়েলে ১৩ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে ব্যবসায়ীরা।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
নতুন দাম অনুযায়ী,
প্রতি লিটার বোতলজাত
সয়াবিন তেলের দাম ১৮৯ টাকা থেকে বেড়ে ১৯৫ টাকা,
খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৭৪ টাকা থেকে বেড়ে ১৭৭ টাকা,
আর পাম অয়েলের দাম ১৫০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬৩ টাকা হয়েছে।
এ ছাড়া ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৪৫ টাকা।
এর আগে গত আগস্টে ভোজ্যতেলের দাম নিয়ে সরকার ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। তখন ব্যবসায়ীরা প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিলেও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মাত্র ১ টাকা বাড়ানোর অনুমতি দেয়। এতে ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ হয়ে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নতুন দাম প্রকাশ করেননি।
সংস্থাটির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন দাম শিগগিরই সারাদেশের বাজারে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।
সোনার বাজারে অস্থিরতা কাটছেই না। আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার দুদফা দাম কমানোর পর মঙ্গলবার সকালে আবার সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৪২৪ টাকা
দেশে চলমান গ্যাস সংকটের প্রেক্ষাপটে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানিকারকদের জন্য ঋণ সুবিধা সহজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে সরবরাহকারী বা ক্রেতার ঋণ (সাপ্লায়ার্স/বায়ার্স ক্রেডিট) সুবিধা পাওয়া যাবে।
সোমবার (১২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো
বাংলাদেশে খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে জাপানি রেস্টুরেন্ট ইজাকায়া। রাজধানী ঢাকায় প্রথমবারের মতো ড্রোন ব্যবহার করে খাবার সরবরাহের সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
একদিনের পরীক্ষামূলক এই কার্যক্রমে আকাশপথে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে গ্রাহকের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়, যা দেশের
রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কানাডা, মরক্কো এবং উন্মুক্ত পদ্ধতিতে সৌদি আরব ও কাফকো থেকে মোট ১ লাখ ৩০ হাজার টন সার কিনবে সরকার। এতে মোট ব্যয় হবে ৭২২ কোটি ১৭ লাখ ৩৩ হাজার ৭২০ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে ৭০ হাজার টন এমওপি