বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, দেশের কর্মসংস্থানের ১.৪১ শতাংশ বা প্রায় সাড়ে ৮ লাখ মানুষ বর্তমানে পর্যটন খাতে নিযুক্ত। এই খাতের মাধ্যমে দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১.৫৬ শতাংশ বা ১৬,৪০৯ কোটি টাকা মূল্য সংযোজন হচ্ছে। হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন ও বিনোদন খাত পর্যটনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।
বিশ্ব পর্যটন সংস্থার প্রাক্কলন
অনুযায়ী, ২০২০ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী পর্যটন থেকে প্রতি বছর ২ ট্রিলিয়ন ডলার আয় হবে। এশিয়ায় পর্যটকবৃন্দের প্রায় ৭৩ শতাংশই বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করবেন। বাংলাদেশ যদি পরিকল্পিতভাবে পর্যটন খাত উন্নয়ন করে, তবে অর্থনীতিতে তা বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
অপরিসীম সম্ভাবনা, সীমিত বাস্তবায়ন
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ পর্যটনের জন্য অনুকূল। তবে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় আমরা পিছিয়ে আছি। উদাহরণস্বরূপ, মালদ্বীপের অর্থনীতির প্রায় পুরো অংশই পর্যটন খাত থেকে আসে, থাইল্যান্ডের ৩০%, সিঙ্গাপুরের ৭৫% এবং ফিলিপাইনের ৫০%।
বর্তমানে বাংলাদেশের জিডিপির প্রায় ২% আসে পর্যটন খাত থেকে। বার্ষিক আয় প্রায় ৭৬.১৯ মিলিয়ন ডলার হলেও, সার্কভুক্ত দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ এখনও অনেক পিছিয়ে। ভারতের পর্যটন আয় ১০,৭২৯ মিলিয়ন ডলার, মালদ্বীপ ৬০২ মিলিয়ন ডলার, শ্রীলঙ্কা ৩৮৫ মিলিয়ন ডলার।
চ্যালেঞ্জ এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ
কক্সবাজারের মতো পর্যটন কেন্দ্র ছাড়া অন্যান্য স্পট এখনও আধুনিকায়নহীন। পর্যটক আকৃষ্ট করতে আবাসন, বিনোদন, যোগাযোগ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়ন করা আবশ্যক। বিদেশি পর্যটকের জন্য আলাদা জোন এবং সুবিধা থাকা দরকার, বিশেষ করে চীনা ও জাপানি পর্যটকদের জন্য।
দক্ষ গাইডের অভাবও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ইংরেজি ও অন্যান্য বিদেশি ভাষায় দক্ষ গাইড পর্যটকদের সন্তুষ্ট রাখতে সহায়ক। এছাড়া ইন্টারনেট, গণমাধ্যম এবং দূতাবাসের মাধ্যমে পর্যটন এলাকা প্রচার করতে হবে।
উপসংহার
পর্যটন খাত শুধুমাত্র বিনোদনের উৎস নয়; এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির এক বড় মাধ্যম এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ উপায়। বাংলাদেশ যদি পরিকল্পিতভাবে বিনিয়োগ, প্রচারণা, নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করে, তবে পর্যটন শিল্প দেশের অর্থনীতিকে উল্লেখযোগ্যভাবে সমৃদ্ধ করতে পারে।বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, দেশের কর্মসংস্থানের ১.৪১ শতাংশ বা প্রায় সাড়ে ৮ লাখ মানুষ বর্তমানে পর্যটন খাতে নিযুক্ত। এই খাতের মাধ্যমে দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১.৫৬ শতাংশ বা ১৬,৪০৯ কোটি টাকা মূল্য সংযোজন হচ্ছে। হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন ও বিনোদন খাত পর্যটনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।
বিশ্ব পর্যটন সংস্থার প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০২০ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী পর্যটন থেকে প্রতি বছর ২ ট্রিলিয়ন ডলার আয় হবে। এশিয়ায় পর্যটকবৃন্দের প্রায় ৭৩ শতাংশই বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করবেন। বাংলাদেশ যদি পরিকল্পিতভাবে পর্যটন খাত উন্নয়ন করে, তবে অর্থনীতিতে তা বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
অপরিসীম সম্ভাবনা, সীমিত বাস্তবায়ন
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ পর্যটনের জন্য অনুকূল। তবে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় আমরা পিছিয়ে আছি। উদাহরণস্বরূপ, মালদ্বীপের অর্থনীতির প্রায় পুরো অংশই পর্যটন খাত থেকে আসে, থাইল্যান্ডের ৩০%, সিঙ্গাপুরের ৭৫% এবং ফিলিপাইনের ৫০%।
বর্তমানে বাংলাদেশের জিডিপির প্রায় ২% আসে পর্যটন খাত থেকে। বার্ষিক আয় প্রায় ৭৬.১৯ মিলিয়ন ডলার হলেও, সার্কভুক্ত দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ এখনও অনেক পিছিয়ে। ভারতের পর্যটন আয় ১০,৭২৯ মিলিয়ন ডলার, মালদ্বীপ ৬০২ মিলিয়ন ডলার, শ্রীলঙ্কা ৩৮৫ মিলিয়ন ডলার।
চ্যালেঞ্জ এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ
কক্সবাজারের মতো পর্যটন কেন্দ্র ছাড়া অন্যান্য স্পট এখনও আধুনিকায়নহীন। পর্যটক আকৃষ্ট করতে আবাসন, বিনোদন, যোগাযোগ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়ন করা আবশ্যক। বিদেশি পর্যটকের জন্য আলাদা জোন এবং সুবিধা থাকা দরকার, বিশেষ করে চীনা ও জাপানি পর্যটকদের জন্য।
দক্ষ গাইডের অভাবও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ইংরেজি ও অন্যান্য বিদেশি ভাষায় দক্ষ গাইড পর্যটকদের সন্তুষ্ট রাখতে সহায়ক। এছাড়া ইন্টারনেট, গণমাধ্যম এবং দূতাবাসের মাধ্যমে পর্যটন এলাকা প্রচার করতে হবে।
উপসংহার
পর্যটন খাত শুধুমাত্র বিনোদনের উৎস নয়; এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির এক বড় মাধ্যম এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ উপায়। বাংলাদেশ যদি পরিকল্পিতভাবে বিনিয়োগ, প্রচারণা, নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করে, তবে পর্যটন শিল্প দেশের অর্থনীতিকে উল্লেখযোগ্যভাবে সমৃদ্ধ করতে পারে।