সিলেটে টাস্কফোর্স ও যৌথ বাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩৯ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার সকাল থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সিলেট সদর, কোম্পানীগঞ্জ ও গোয়াইনঘাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব পাথর জব্দ করা হয়। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়। সদর উপজেলার ধোপাগুল–সংলগ্ন সালুটিকর ভাটা এলাকায় জেলা প্রশাসনের
জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার মাহমুদ আশিক কবিরের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। এতে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র্যাবের সদস্যরা অংশ নেন। এ সময় স্টোন ক্রাশার মিলে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় প্রচুর পাথর উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে আটক দুজনকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সদর উপজেলায় উদ্ধার হওয়া পাথরের মধ্যে প্রায় সাড়ে চার হাজার ঘনফুট ভোলাগঞ্জের ১০ নম্বর ঘাটে নেওয়া হয়েছে। কোম্পানীগঞ্জের কলাবাড়ি ও কালীবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও প্রায় ২৫ হাজার ঘনফুট সাদাপাথর জব্দ করা হয়। এর মধ্যে পাঁচ হাজার ঘনফুট সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে, বাকি ২০ হাজার ঘনফুট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জিম্মায় রয়েছে। এছাড়া গোয়াইনঘাটের জুমপার এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় তিন হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করা ৫০টি নৌকা আটক করে ধ্বংস করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, দেশে বর্তমানে ৫১টি বৈধ কোয়ারি থাকলেও পরিবেশগত কারণে ২০২০ সালের পর থেকে সিলেটে আর কোনো কোয়ারি ইজারা দেওয়া হয়নি। এরপর থেকেই রাতের অন্ধকারে ও আড়ালে–আবডালে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বেড়ে যায়। বিশেষ করে গত বছরের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এক বছর ধরে দেদার লুটপাট চলছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
<strong>বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড (বিটিবি) এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) যৌথভাবে সিলেট বিভাগের মনোরম খাসিয়া পুঞ্জি, জাফলং-এ কমিউনিটি-ভিত্তিক পর্যটন (সিবিটি) উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে।</strong>আইএলও’র কানাডা সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত ‘প্রোগ্রেস’ প্রকল্পের আওতায় এই উদ্যোগবিস্তারিত...